প্রেগন্যান্সিতে খাবার এবং পুষ্টির গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। জীবনের কোনো পর্যায়েই খাবারের বা পুষ্টির এতটা প্রয়োজনীয়তা নেই, যতটা প্রেগন্যান্সিতে।
অনেকেই ভাবেন, “আমি তো ঠিকঠাক খাচ্ছি,” কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রায় ৮০% গর্ভবতী মায়ের পুষ্টি ঘাটতি থাকে। এবং এই ঘাটতি মায়ের পাশাপাশি শিশুর growth, brain development, এবং immune system-এ সরাসরি প্রভাব ফেলে। এটা আসল মেডিকেল সায়েন্স।
আমাদের কনসালটেশন সার্ভিস:
প্রেগন্যান্সি ডায়েট কনসালটেশনে কাস্টমাইজড ডায়েট প্ল্যান থাকবে, যেখানে আপনার রুচি, শরীরের অবস্থা, ট্রাইমেস্টার এবং লাইফস্টাইল বুঝে আপনার খাবারের প্ল্যান তৈরি করা হবে। ব্লাড সুগার, ব্লাড প্রেসার, রক্তস্বল্পতা- এসব খাবারের মাধ্যমে সঠিকভাবে ম্যানেজ করার প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।
কেন প্রয়োজন?
গর্ভের শিশুর সর্বোচ্চ পুষ্টি নিশ্চিত করতে
মায়ের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে
ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে
ব্লাড প্রেসার ঠিক রাখতে
রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করতে
কনসালটেশন সময়: ৩০-৪০ মিনিট
নির্দিষ্ট সময়ে কল, অপেক্ষার প্রয়োজন নেই
ডায়েট প্ল্যান ও সব নির্দেশনা লিখিত আকারে প্রদান
৭ দিনের মধ্যে সাপোর্ট (যদি ডায়েট বুঝতে সমস্যা হয়)
ডায়েট প্রেসক্রিপশনও গাইনোকলজিস্টের প্রেসক্রিপশনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রেগন্যান্সিতে খাবারের ভূমিকা বিশাল। কী খাবেন, কতটুকু খাবেন, শিশুর পুষ্টি কভার হবে কী না, নিজের ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপায়- এসব নিয়ে যদি কোনো কনফিউশন থাকে, তাহলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে পারেন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট মালিহা জান্নাতের।
আজই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন!


Reviews
There are no reviews yet.