Clinical Nutritionist Maliha Zannat

BSc, MSc in Food & Nutrition (GCAHS), DU
MPH in Public Health Nutrition, WUB
CND (BIRDEM),
CCND (BADN)
Specially Trained in Weight Management

Get access to personalized nutrition advice tailored to your needs. From weight management, PCOS, hormonal imbalances, and infertility to children’s and teen health, I’m here to guide you towards a healthier life with expert care that fits your goals.

সন্তুষ্ট ক্লায়েন্ট
0 +
বছরের অভিজ্ঞতা
0 +
সফলতার হার
0 %
ঘণ্টা সাপোর্ট সেবা
0

কেন আমাদের বেছে নেবেন?

আমাদের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং ব্যক্তিগত যত্নে আপনার স্বাস্থ্য লক্ষ্য অর্জন করুন

কাস্টোমাইজড ডায়েট চার্ট

বিস্তারিত আলোচনা করে, শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী কাস্টোমাইজড ডায়েট চার্ট তৈরি করা হয়।

লাইফস্টাইল মডিফিকেশন

শুধু ডায়েট নয়, সারাদিনের রুটিন ও লাইফস্টাইল ঠিক করতে উপযুক্ত ও কার্যকরী প্ল্যান দেয়া হয়।

গোড়া থেকে সমস্যা সমাধান

সমস্যার গভীরে গিয়ে সঠিক কারণ চিহ্নিত করে তা সমাধানের চেষ্টা করা হয়, যাতে দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল পাওয়া যায়।

পর্যাপ্ত সময় নিয়ে পেশেন্ট দেখা

পেশেন্টের সাথে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে কথা বলা হয়

ঘরে বসে অনলাইনে সেবা

আপনি যেকোনো স্থান থেকে, সুবিধাজনক সময় নির্বাচিন করে আমাদের উচ্চমানের সেবা গ্রহণ করতে পারনে

আমাদের বিশেষ সেবাসমূহ

অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট

ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্টের সাথে সুবিধামতো সময়ে, যেকোনো স্থান থেকে আপনার প্রাইভেট সেশন বুক করুন।

প্রিমিয়াম ১:১ ওয়েট লস প্রোগ্রাম

আপনার হরমোন, লাইফস্টাইল, দৈনন্দিন অভ্যাস ও রুটিন অনুযায়ী কাস্টোমাইজড সাসটেইনেবল ফ্যাট-লস জার্নি।

১২-সপ্তাহের প্রিমিয়াম ওয়েলনেস প্রোগ্রাম

হরমোনাল ব্যালান্স, ফার্টিলিটি, গাট হেলথ, ওয়েট ম্যানেজমেন্ট ও সামগ্রিক সুস্থতার জন্য ১:১ প্রোগ্রাম

কাপল ফার্টিলিটি বুস্ট প্রোগ্রাম

"স্বামী-স্ত্রীর, হরমোনাল ব্যালান্স, ফার্টিলিটি উন্নয়ন ও প্রেগন্যান্সি প্রস্তুতির জন্য ১:১ প্রোগ্রাম।

MZ Wellness Center এ আপনার সুস্থতা আমাদের অগ্রাধিকার। আমাদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা কনসালটেশন সার্ভিস অথবা আমাদের প্রোগ্রাম নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে, নির্দ্বিধায় আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমাদের প্রতিনিধি দল আপনার মেসেজ পাওয়ার পর দ্রুত উত্তর দেবেন ইন শা আল্লাহ।

হোয়াইটসঅ্যাপে মেসেজ করতে নিচের সবুজ বাটনে ক্লিক করুন।

আমাদের সাথে থাকা পেশেন্টদের বাস্তব অভিজ্ঞতার একাংশ, যা আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে

আমাদের সেবা সম্পর্কে যেসব প্রশ্ন প্রায়ই করা হয়, সেসবের উত্তর এখানে দেওয়া হলো।

আপনি আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সরাসরি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে পারেন,
অথবা আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করেও বুকিং সম্পন্ন করতে পারেন।

আমাদের বুকিং সিস্টেম সহজ ও ইউজারফ্রেন্ডলি।
যেকোনো সময়, যেকোনো স্থান থেকে অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে পারেন।

শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী যেকোনো ডায়েট
শরীরকে ভেতর থেকে ঠিক করতে চান যারা

👉 অর্থাৎ, মহিলা ও শিশুরা তাদের শারীরিক অবস্থা, রোগ বা লক্ষ্য অনুযায়ী ব্যক্তিগত ডায়েট ও কাউন্সেলিং নিতে পারবেন অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের মাধ্যমে। এছাড়া, কাপল কাউন্সিলিং এভেইলেবল।

A healthy outside starts from the inside"- Robert Urich

Join us to get a new version of you.

Weight Loss Premium Service

By Clinical Nutritionist Maliha Zannat
Specially Trained in Weight Management

৪৫ দিনের প্যাকেজ

রেজিস্ট্রেশন ফি: ৩৫০০ টাকা মাত্র

৯০ দিনের প্যাকেজ

রেজিস্ট্রেশন ফি: ৮৯৯৯ টাকা মাত্র

Health Tips
MZ Wellness Center

🥗 সবচেয়ে বড় ইনভেস্টমেন্ট — আপনার প্রতিদিনের খাবারের প্লেট!

🥗 সবচেয়ে বড় ইনভেস্টমেন্ট — আপনার প্রতিদিনের খাবারের প্লেট! সবারই নিজের মতো একটা বাজেট থাকে।সেই বাজেটে আপনি জামা কেনার সময় একটু কৃপণতা করতে পারেন,স্কিন কেয়ার বা পারফিউম কেনার সময় ভাবতে পারেন,জুয়েলারি না কিনে সঞ্চয় করতে পারেন। কিন্তু খাবার? খাবার হল আপনার জীবনের ফাউন্ডেশন। খাবার শুধু পেট ভরানোর জিনিস না।খাবার মানে নিউট্রিয়েন্টস, মানে সেই ম্যাজিক উপাদানগুলো,যারা চুপচাপ কাজ করে যায় আপনার শরীর, ত্বক, চুল, মন, ঘুম

Read More »
Health Tips
MZ Wellness Center

🍳 দাওয়াত মানেই তেল-মশলার পাহাড়, হেলদি খাবার কেন নয়?

🍳 দাওয়াত মানেই তেল-মশলার পাহাড়, হেলদি খাবার কেন নয়? কাউকে দাওয়াত দিলেই টেবিল ভর্তি খাবার থাকা লাগবে, এই এক্সপেকটেশনের জন্য কারো বাসায় যাওয়াটা বা কাউকে নিজের বাসায় ডাকা টা আমরা নিজেরাই কঠিন করে ফেলেছি। আর দাওয়াতের খাবার তো হেলদি হওয়াই যাবে না! অনেক তেল-মশলা দিয়ে মজাদার রান্না করতে হবে। হেলথ আবার কি, রান্না সুস্বাদু করার জন্য যা করা লাগবে সব করবো, এটাই অলিখিত নিয়ম! নয়তো

Read More »
Health Tips
MZ Wellness Center

ত্রিশ মিনিট হাঁটতে পারছেন না?

ত্রিশ মিনিট হাঁটতে পারছেন না? ত্রিশ মিনিট হাঁটতে পারছেন না? দশ মিনিট দিয়ে শুরু করুন। ত্রিশ মিনিট ওয়ার্ক-আউট করার সময় পাচ্ছেন না? পাঁচ মিনিটের স্ট্রেচিং দিয়ে শুরু করুন। পুরো অধ্যায় পড়া কঠিন মনে হচ্ছে? শুধু একটি পৃষ্ঠা পড়ুন। পুরো ঘর পরিষ্কার করতে পারছেন না? এক কোণ গুছিয়ে নিন। রাত দশটায় ঘুমাতে যেতে পারছেন না? আগের রাতের চেয়ে পাঁচ মিনিট আগে ঘুমাতে যান। প্রতিদিনের একটু একটু

Read More »

তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য ১০টি কার্যকর ঘরোয়া প্রতিকার

কোষ্ঠকাঠিন্য একটি সাধারণ হজমজনিত সমস্যা। যখন বৃহদান্ত্র বা কোলন মল আটকে ফেলে এবং সহজে বের করতে পারে না, তখন তা গুরুতর হয়ে ওঠে। দ্রুত কাজ করা ওষুধের বদলে, প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপায়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার চেষ্টা করাই উত্তম।

কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে- খাদ্যে আঁশের অভাব, শারীরিক কার্যকলাপের ঘাটতি, মানসিক চাপ, পানির অভাব, কিংবা কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। তাই জীবনযাপনের মূল দিকগুলো ঠিক করাই সমস্যার স্থায়ী সমাধান।

১. আঁশযুক্ত খাবার খান

আঁশ মলকে নরম করে এবং সহজে বের হতে সাহায্য করে। প্রতিদিন ২০–৩৫ গ্রাম ফাইবার গ্রহণ করা উচিত। ফল, শাকসবজি, ডাল, বাদাম, বীজ, এবং পূর্ণ শস্যজাত খাবার আঁশের ভালো উৎস। তবে হঠাৎ করে অতিরিক্ত আঁশ খেলে উল্টো সমস্যা হতে পারে, তাই ধীরে ধীরে বাড়ান।

যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। গরম পানি হজম প্রক্রিয়া সক্রিয় করে এবং মল নরম করে। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস গরম পানিতে কিছু লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে অন্ত্রের চলাচল উদ্দীপিত হয়, ফলে সহজে মলত্যাগ হয়।

শরীরচর্চা রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং অন্ত্রের কার্যক্রম সক্রিয় রাখে। প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা হাঁটা, ব্যায়াম বা প্রিয় কোনো খেলাধুলা করার অভ্যাস করুন। হালকা যোগব্যায়াম ও স্ট্রেচিং মানসিক চাপ কমিয়ে হজমতন্ত্রকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

প্রসেস করা খাবার, দুধ, লাল মাংস ও অ্যালকোহল হজমে সমস্যা তৈরি করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়ায়। এসব খাবারে আঁশ কম থাকে, ফলে অন্ত্রে মল জমে যায়। নিজের শরীরের প্রতিক্রিয়া বুঝে ধীরে ধীরে এগুলো কমিয়ে দিন।

এক কাপ গরম ব্ল্যাক কফি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কার্যকর। কফির তেল, পানীয় ও সামান্য আঁশ মিলে অন্ত্রের পেশিকে সংকুচিত করে, ফলে সহজে মলত্যাগ হয়। তবে যাদের Irritable Bowel Syndrome (IBS) আছে, তাদের জন্য অতিরিক্ত ক্যাফেইন সমস্যা বাড়াতে পারে।

অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। তাই খাদ্যতালিকায় প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাবার রাখুন।

প্রোবায়োটিক খাবার: দই, কেফির, সাওয়ারক্রাউট, কিমচি, কম্বুচা, মিসো
প্রিবায়োটিক খাবার: কলা, আপেল, বার্লি, ওটস, পেঁয়াজ, রসুন

নিয়মিত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে। রাতে কিডনি ও লিভার পরিষ্কারকাজ করে, ফলে সকালে অন্ত্র স্বাভাবিকভাবে কাজ করে। রাতে ভারী খাবার খেলে হজম ধীর হয়, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে।

দুপুরের খাবারের পর সামান্য গুড় ও ঘি খাওয়া একটি পরীক্ষিত ঘরোয়া উপায়। গুড়ে থাকে আয়রন, আর ঘি শরীরে ভালো চর্বি যোগায়। এই দুটি একসঙ্গে হজম প্রক্রিয়া মসৃণ করে ও বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সাহায্য করে।

তিলে প্রচুর আঁশ ও স্বাস্থ্যকর চর্বি রয়েছে, যা অন্ত্রকে তৈলাক্ত করে এবং মল সহজে বের হতে সাহায্য করে।

চা অন্ত্রকে উষ্ণতা দেয় ও মল নরম করে। কিছু চা প্রাকৃতিকভাবে হালকা জোলাপের মতো কাজ করে, অন্ত্রের গতি বাড়ায়।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়ক চা:

আদা চা

কালো চা

গ্রিন টি

সেনা চা

পুদিনা চা

যষ্টিমধু চা

এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো নিয়মিত অনুসরণ করলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। তবে দীর্ঘমেয়াদি বা গুরুতর সমস্যার ক্ষেত্রে অবশ্যই পুষ্টিবিদ বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

প্রাকৃতিকভাবে উচ্চ রক্তচাপ কমানোর উপায়

উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure) একটি ঝুঁকিপূর্ণ স্বাস্থ্যসমস্যা। এটি ধীরে ধীরে রক্তনালী ও শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলিকে ক্ষতি করতে পারে। তবে ভালো খবর হলো, কিছু জীবনধারার পরিবর্তনের মাধ্যমে ঘরোয়া উপায়েই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং অনেক সময় ওষুধের প্রয়োজনও কমে যায়।

নিচে এমন কিছু কার্যকর জীবনধারার পরিবর্তন দেওয়া হলো যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে 👇

১. স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন

অতিরিক্ত ওজন উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম প্রধান কারণ। ওজন কমালে রক্তচাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরের মোট ওজনের মাত্র ৩–৯% কমালে রক্তচাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। বিশেষ করে পেটের মেদ কমানো খুবই জরুরি, কারণ এটি সরাসরি উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়।

অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। তাই দিনে সর্বোচ্চ ১৫০০–২৩০০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
👉 টিনজাত বা প্রসেস করা খাবারের লেবেল পড়ে সোডিয়াম মাত্রা দেখুন।
👉 ক্যানজাত সবজির বদলে তাজা সবজি ব্যবহার করুন।
👉 সাধারণ টেবিল লবণের বদলে হিমালয়ান পিঙ্ক সল্ট ব্যবহার করতে পারেন।

 

শরীরচর্চা রক্তসঞ্চালন উন্নত করে এবং রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, দৌড়ানো, সাঁতার কাটা বা দড়ি লাফানোর মতো অ্যারোবিক ব্যায়াম করুন। সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ব্যায়াম করার অভ্যাস রাখুন। এটি ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখে, যা পরোক্ষভাবে রক্তচাপ কমায়।

এই দুই ধরনের চর্বি রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল দুটোই বাড়ায়।
লাল মাংস, প্রসেস করা মাংস, ফুল-ফ্যাট দুগ্ধজাত পণ্য, ভাজা খাবার, কেক, বিস্কুট, নারকেল ও পাম তেল- এসব খাবার এড়িয়ে চলুন।
তার বদলে পরিমিত পরিমাণে বাদাম, বীজ, অলিভ অয়েল ইত্যাদি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট বেছে নিন।

কফি বা এনার্জি ড্রিঙ্ক পান করার পর যদি রক্তচাপ বেড়ে যায়, তাহলে বুঝবেন আপনি ক্যাফেইন-সংবেদনশীল।
এমন হলে ক্যাফেইনমুক্ত চা-কফি বা পানীয় বেছে নিন। বেশি কফি, চা বা এনার্জি ড্রিঙ্ক না খাওয়াই ভালো।

অতিরিক্ত রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট (যেমন সাদা ভাত, ময়দা, চিনি) রক্তে শর্করা ও ইনসুলিন বাড়িয়ে রক্তচাপ বৃদ্ধি করে।
এর বদলে আঁশযুক্ত প্রাকৃতিক উৎসের কার্বোহাইড্রেট খান- যেমন হোলগ্রেইন খাবার, ফল, শাকসবজি, ডাল এবং চিনি ছাড়া দুগ্ধজাত খাবার।

রাতে ৭–৮ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং মানসিক চাপ কমায়।
ভালো ঘুমের জন্য,
👉 ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে ১ আউন্স আনসল্টেড পেস্তা খান।
👉 ঘুমানোর আগে পায়ের তলায় অলিভ অয়েল বা ঘি দিয়ে হালকা মালিশ করুন।

অতিরিক্ত অ্যালকোহল রক্তচাপ দ্রুত বাড়ায় এবং ওজনও বাড়িয়ে দেয়। এই অভ্যাস ত্যাগ করার কোনো বিকল্প নেই।

খাদ্যাভ্যাস, শরীরচর্চা, ঘুম ও পানীয় গ্রহণে সামান্য পরিবর্তন আনলেই উচ্চ রক্তচাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, একদম ওষুধের মতো কার্যকরভাবে।

উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এমন ১২টি খাবার

প্রাকৃতিকভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে

বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপ এখন খুব সাধারণ সমস্যা। অনেকেই নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছেন, কিন্তু খাদ্যাভ্যাস ঠিক না করলে রক্তচাপ স্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণে আসে না। গবেষণায় দেখা গেছে, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফাইবার এবং ভালো ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় খুব সহজেই।

চলুন দেখি, কোন ১২টি খাবার নিয়মিত খেলে প্রাকৃতিকভাবে রক্তচাপ কমে যায় 👇

🍎 আপেল

আপেলে আছে প্রচুর পটাশিয়াম ও পলিফেনল, যা রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে।
এছাড়া এতে থাকা পেকটিন ফাইবার হজম ভালো রাখে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
দুপুরের নাশতায় খোসাসহ একটি আপেল খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে।

এই সাইট্রাস ফলগুলোয় আছে ভিটামিন C, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম।
প্রতিদিন ১–২ গ্লাস কমলা বা জাম্বুরার রস রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
তবে ডায়াবেটিস বা স্থূলতা থাকলে রসের বদলে আসল ফল খাওয়াই ভালো।

কলা আমাদের দেশের সহজলভ্য ও সস্তা একটি ফল। এতে প্রচুর পটাশিয়াম আছে, যা শরীর থেকে অতিরিক্ত সোডিয়াম বের করে দেয় এবং রক্তচাপ কমায়।
তবে কিডনি রোগী বা একাধিক অসুখে ভুগছেন, এমন কেউ খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

মিষ্টি আলুতে আছে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম, দুটি খনিজই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
সেদ্ধ বা ভাপে দেওয়া মিষ্টি আলুতে সামান্য অলিভ অয়েল ও দারচিনি যোগ করলে এটি আরও পুষ্টিকর হয়।

গাজর, টমেটো ও বিটরুটে আছে নাইট্রেট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
প্রতিদিন এক গ্লাস নোনাবিহীন এই রস খেলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে।

রসুনের মধ্যে থাকা অ্যালিসিন নামের উপাদান রক্তনালী প্রসারিত করে রক্তচাপ কমায়।
রসুন কাঁচা খাওয়া সবচেয়ে কার্যকর, তবে হজমে সমস্যা হলে খাবারের সঙ্গে হালকা রান্না করে খেতে পারেন।

পালং, লালশাক, লেটুস, ধনেপাতা, বাঁধাকপি, সবুজ পাতাযুক্ত শাকসবজিতে আছে প্রচুর নাইট্রেট, যা রক্তচাপ কমায় ও হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।
প্রতিদিন অন্তত ১ কাপ শাক খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

অনেকে ভুল করে মনে করেন ডিম রক্তচাপ বাড়ায়। আসলে ডিম হলো চমৎকার প্রোটিনের উৎস, যা রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
যাদের কোলেস্টেরল বেশি, তারা শুধু ডিমের সাদা অংশ খেতে পারেন।

ডাল ও সয়াবিনে আছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইবার।
এগুলো নিয়মিত খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে ও হৃদযন্ত্র ভালো থাকে।
তবে ক্যানড বা প্যাকেটজাত ডাল খাওয়ার আগে লবণের পরিমাণ দেখে নিন।

ডাল ও সয়াবিনে আছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইবার।
এগুলো নিয়মিত খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে ও হৃদযন্ত্র ভালো থাকে।
তবে ক্যানড বা প্যাকেটজাত ডাল খাওয়ার আগে লবণের পরিমাণ দেখে নিন।

প্রতিদিন সকালে ১ বাটি ওটস খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং কোলেস্টেরল কমে।
স্টিল-কাট বা রোল্ড ওটস বেছে নিন, এগুলো কম প্রক্রিয়াজাত ও বেশি ফাইবারসমৃদ্ধ।

আমন্ড ও পেস্তায় আছে ভালো ফ্যাট, ভিটামিন E, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম।
নোনাবিহীন বাদাম সকালে বা বিকেলের নাশতায় খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

ওষুধের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপন ঠিক রাখলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত হাঁটা ও মানসিক প্রশান্তি, এগুলোর গুরুত্বও সমান।

মহিলাদের নিয়ে অনেক কথা বলা দরকার। নিউট্রিয়েন্ট ডেফিসিয়েন্সি থেকে এতো কষ্ট প্রতিদিনের জীবনে মহিলারা পেয়ে যাচ্ছে, অবিশ্বাস্য। এটা প্রতি মাসে অনেক মহিলা পেশেন্ট নিয়ে কাজ করে পাওয়া তথ্য থেকে বলছি।

কিছু কথা বলতে চাই আমার বোনদের জন্য:

এই যে চুল পড়ে যাচ্ছে, হরমোন উলটা পালটা হয়ে যাচ্ছে, পিরিয়ড ইরেগুলার, শরীর চাবাচ্ছে, কিচ্ছু মনে রাখতে পারছেন না, একটুতেই ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছেন, সবসময় ক্লান্ত লাগছে, মেজাজ খিটখিট, দূর্বলতা পেয়ে বসেছে, মাথা ঘুরাচ্ছে, এই লিস্ট অনেক বড়- এসব হয় পুষ্টির অভাবে।

সুস্থতাকে টেকেন ফর গ্রান্টেড হিসেবে নিবেন না। সুস্থতা অর্জন করে নিতে হয় খাবার ঠিক করে, জীবনযাপনে পরিবর্তন এনে, সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রচুর দোয়া করে।

একবার বিছানায় পড়ে গেলে বুঝবেন, যেই সংসারের জন্য জীবন দিয়ে দিচ্ছেন, যেই ক্যারিয়ারের জন্য নিজের দিকে তাকাচ্ছেন না, এগুলো কোনো কাজের ই না অসুস্থ জীবনের কাছে।

শরীরটাকে ঠিক রাখুন, শক্তিশালী করুন। খাবারকে শুধু পেট ভরানোর জন্য খাবেন না।

এখন থেকে আপনি যখন প্লেটে খাবার নিচ্ছেন বা খাচ্ছেন বা আপনার রুটিন টা ঠিক করছেন, মাথায় রাখবেন আপনি শরীরকে একটা ট্রিট দেওয়ার জন্য খাবার খাচ্ছেন।

কি জন্য ট্রিট? সবথেকে শক্তিশালী সামর্থ্যবান এবং চমৎকার একটা মেশিন হিসেবে ট্রিট দেয়ার জন্য খাচ্ছেন।

যেই মেশিনকে বুড়ো বয়সে কারো উপর নির্ভর হয়ে থাকতে হবে না ইনশাআল্লাহ, যে মেশিনটি কথায় কথায় কোথায় জিনিস রাখছি এটাই মনে থাকছে না এরকম হবে না, যে মেশিনের অনেক দূর পর্যন্ত চিন্তা করার শক্তি থাকবে, যে মেশিন এত দুর্বল মন মানসিকতার হবে না যে লোকের অল্প কথাতেই ভেঙ্গে পড়ে, যে মেশিনের অনেক ভালোভাবে নিজেকে গুছানোর ক্যাপাসিটি থাকবে, যে মেশিন স্পষ্টভাবে চিন্তা করতে পারবে, আর যে মেশিন কে সৃষ্টিকর্তা বলেছে আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা জীব।

সেই মেশিন থেকে বেস্ট সার্ভিস নেয়ার জন্য এবং প্রতি মূহুর্তে সে যে আমাদের একটা বেস্ট সার্ভিস দেয়, সেটার ট্রিট দিতে আপনি খাবার খাচ্ছেন।

শুধুমাত্র মহিলা ও শিশুকে নিয়ে কাজ করছি আমি MZ Wellness Center এ। MZ Wellness Center- আপনার সুস্থতার বিশ্বস্ত সঙ্গী।

আপনার সুস্থতাই আপনার গহনা, নিজেকে সময় দিন, নিজেকে নিয়ে এবার একটু ভাবুন।

বাংলাদেশে সকালের কিছু কমন নাস্তা, যা পেশেন্ট হিস্ট্রি তে সবসময় পেয়ে থাকি, আপনিও এরকম নাস্তা করে থাকলে, এখন থেকে বাদ দেয়ার চেষ্টা করবেন-

আপনার ব্রেকফাস্ট ও এরকম দেখতে দেখতে হলে, এখন থেকে নিষেধ নিষেধ নিষেধ।

আপনার দিনের প্রথম খাবারটা আপনাকে সারাদিনের শক্তি দিবে, কাজ করার এনার্জী দিবে। তাই চেষ্টা করবেন, প্রথম খাবার এমন কিছু খাওয়ার, যেখান থেকে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ভালো ফ্যাট, ভিটামিন, মিনারেলস সব-ই পাবেন।

যেমন- রুটির সাথে সবজি (আলু বাদে), সাথে ডিম খেলেন। এক ঘন্টা পর এক কাপ চা খেতে পারেন, চিনি ছাড়া হলে ভালো।

তবে, কিছু বিশেষ শারীরিক জটিলতা ছাড়া, ব্রেকফাস্ট প্রোটিন সমৃদ্ধ হলে সবথেকে ভালো।

Scroll to Top